জেলার রাজারহাট-তিস্তা সড়কে সোমবার (১ মার্চ) রাতে পিকআপ ও সিএনজি মুখোমুখী সংঘর্ষে ১জন নিহত এবং ২আহত হয়েছে।
সেই সাথে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর পাথরের টিলে পুলিশসহ আরো ৩ জন আহত হয়েছে। পুলিশ ঘাতক পিকআপটিকে আটক করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, রাজারহাট-তিস্তা সড়কের অদিতি সুধি কানন তেলের পাম্পের পূর্বপাশে রেলের পাথর স্তুপ করে রাখার কারণে ১লা মার্চ সোমবার রাত ৯টার দিকে রাজারহাট থেকে একটি পিকআপ তিস্তা অভিমুখে যাওয়ার সময় তিস্তা থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী সিএনজি সাথে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়।
এতে সিএনজিটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এসময় সিএনজিতে রংপুর থেকে আসা নুরুল ইসলাম(৮০) নামের এক যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের দূর্গাচরণ ছাটগ্রামের মৃত দছিরউদ্দিনের পুত্র।
খবর পেয়ে কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে দু’পাশের যানজট নিরসনে কাজ শুরু করে। কিন্তু বিক্ষুব্ধ কিছু উৎশৃঙ্খল যুবকরা অতর্কিতভাবে যানবাহনের উপর রেললাইনের পাথর ছুঁড়তে থাকলে রাজারহাট থানার এসআই শরিফুল ইসলাম, কন্সটেবল জাহাঙ্গীর আলম, ব্যবসায়ী মকবুল হোসেন আহত হয়। তাদেরকে রাজারহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় এক ঘন্টা পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।
রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রাজু সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন মৃতের পরিবার থানায় কোন অভিযোগ করেননি।

Leave your comments